মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

আনোয়ারা ফহিম জিয়াউদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

গোদাগাড়ী উপজেলা সদরে ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য আনোয়ারা ফহিম জিয়া উদ্দীন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও শিক্ষা অনুরাগী জনাব ফহিম উদ্দীন বিশ্বাস ও তাঁর সহধর্মিনী আনোয়ারা ফহিম ও তাঁদের সুযোগ্য সন্তানদের উদ্দ্যোগে ১৯৭৫ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়।স্বপ্নদ্রষ্টআনোয়ারা বেগমের আর্থিক অনুদান ও জিয়া উদ্দীন সাহেবের জমি দানের জন্যই বিদ্যালয়টির নামকরণ হয় “আনোয়ারা ফহিম জিয়াউদ্দীন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। উপরোক্ত দু ব্যক্তি ছাড়াও আরো অনেক শিক্ষা অনুরাগী ব্যক্তি কিছু কিছু জমি দান করেছেন । বিদ্যালয়টির জমির পরিমান ১একর ৭৩.৫ শতাংশ। নারী শিক্ষার প্রয়োজনেই এক সময় গোদাগাড়ী হাই স্কুলে কো-এডুকেশন চালু হয়। হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার থেকে মেয়েরা স্কুলে লেখা-পড়া শিখতে আসতো। পরবর্তিতে ছাত্রী সংখ্যা বাড়তে থাকায় গোদাগাড়ীবাসী মেয়েদের জন্য আলাদা একটি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। বেগম আনোয়ারা সেই প্রয়োজনীয়াতা উপলদ্ধি করেই অত্র বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার জন্য মনস্থির করেন। স্থানীয় শিক্ষা অনুরাগী জন সাধারনও সহযোগীতা করেন। সেই সময়ের থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব নুরুল হক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অতি উৎসাহ ছিলেন এবং তিনি অত্র প্রতিষ্ঠানের ১ম সভাপতির পদ অলংকৃত করেন। যারা এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরালস পরিশ্রম করেছেন তাঁরা দু-একজন ছাড়া অনেকেই বেচে নেই। আমি তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি আর যারা এ বিদ্যাপীঠকে বর্তমান অবস্থায় নিয়ে এসেছেন তাঁদের শ্রম সার্থক হয়েছে। আজীবন জ্ঞান তাপস সুযোগ্য প্রথম প্রধান শিক্ষক জনাব রিয়াজ উদ্দীন আহমেদ বিদ্যালয়টির রূপকার। প্রাথমিক অবস্থায় বিদ্যালয়টি বেড়া ও টিনের ছাওনি ছিল, পরে আস্তে আস্তে সরকারী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সহযোগীতায় বিল্ডিং হতে থাকে। বর্তমানে অবকাঠামোগত প্রাচুর্যনা থাকলেও কমতি নেই। ১৯৭৮ সালে চার জন ছাত্রী এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চার জনই কৃতিত্বের সাথে পাস করে। ১৯৭৯ সালে বিজ্ঞান ও ২০০১ সালে কারিগরী শাখা খোলার অনুমতি পায়। ক্রমান্বয়ে ছাত্রী সংখ্যা বাড়তে থাকে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও কারিগরী শাখা চালু রয়েছে। দক্ষ কর্মঠ ও সুযোগ্য শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা বিদ্যালয়টি প্রচালিত হয়ে আসছে। 

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোসাঃ ফজিলাতুন নেসা ০১৭১২২২৬৬৮২ afzgirlshighschool@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

৬ষ্ঠ শ্রেণী ১৫৫জন, ৭ম শ্রেণীঃ ১৫০জন, ৮ম শ্রেণীঃ ১০০জন, ৯ম শ্রেণীঃ ১০০ জন, ৯ম (ভোকেশেনাল)- ২৫ জন, ১০ম শ্রেণী-৭০ জন, ১০ম ভোকেশেনাল-২০জন। 

৯৫

১. জনাব মোঃ রবিউল আলম, সভাপতি

২. জনাব মোঃ সেলিম  সারওয়ার, সদস্য

৩. জনাব মোঃ আব্দুর রউফ, সদস্য

৪. জনাব মোঃ আতিকুর রহমান, সদস্য

৫. জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য

৬. জনাব মোসাঃ সায়েরা বেগম, সদস্য

৭. জনাব মোঃ গোলাম রাব্বানী, সদস্য

৮. জনাব মোঃ রুহুল আমিন, সদস্য

৯. জনাব মোসাঃ মাদুদা খাতুন, সদস্য

১০. জনাব মোসাঃ ফজিলাতুন নেসা, প্রধান শিক্ষক (সম্পাদক)

জেএসসি-২০১০ সালে ৫১%, ২০১১ সালে ৮১.৩০%।

এসএসসি-২০০৭ সালে ৭৫.২৪%, ২০০৮ সালে ৬৯.১২%, ২০০৯ সালে ৬৩.৪৯%, ২০১০ সালে ৮১.৮২%, ২০১১ সালে ৮৭.৬৭%।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে সেকায়েপ প্রকল্পের বৃত্তির পাশা পাশি কৃতি ছাত্রীদের জন্য আনোয়ার স্মৃতি বৃত্তি ও সায়েরা বানু স্মৃতি বৃত্তি চালু আছে।

আনোয়ারা স্মৃতি বৃত্তি- এস এস সি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ প্রাপ্ত বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার প্রত্যেক কে প্রতিমাসে ২শত টাকা হারে মোট এক বছরে ২হাজার ৪শত টাকা   এবং নবম শ্রেণী হতে ১০ শ্রেণীতে উর্ত্তীণ বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার প্রত্যেক কে প্রতিমাসে ১শত টাকা হারে মোট এক বছরে ১হাজার ২শত টাকা প্রদান করা হয়।

জেএসসি ও এস.এস.সির ফলাফল অত্যান্ত আশাপ্রদ। প্রতিবছর উল্লেখ্যযোগ্য ছাত্রী জিপিএ-৫ ও বৃত্তি পেয়ে থাকে, যা নিশ্বসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। বর্তমানে জেএসসি ও এস.এস.সির ফলাফল বিদ্যালয়টিকে উপজেলার অন্যতম বিদ্যালয়ে পরিনত করেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলা স্বর্নপদক অর্জন করে এবং প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন জেলায় জাতীয় পযায়ে খেলা ধুলায় অংশ গ্রহন করে কৃতিত্ব অর্জন করে চলেছে।

জে.এস.সি ও এস.এস. সি পরীক্ষায় শতভাগ পাসসহ শিক্ষার গুনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বৃদ্ধি। ছাত্রীদের সৃজনশীল দক্ষতা বৃদ্ধি ও আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি ২ মাস পর পর সৃজনশীল দক্ষ এমন প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষনের আযোজন করা।

 

অত্র অঞ্চলের বেকার ও ঝরে পাড়া ছাত্রীদের কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে (ড্রেস মেকিং এন্ড টেলারিং, ইলেট্রিক্যাল ও ইলেট্রনিক্স) প্রশিক্ষণ দিয়ে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প গড়ে তুলে নারী বেকারত্ব দুর করা।

ডাকঘরঃ গোদাগাড়ী, উপজেলাঃ গোদাগাড়ী, জেলাঃ রাজশাহী।

সায়েরা বানু স্মৃতি বৃত্তি- ৬ষ্ট শ্রেনীতে হইতে ৭ম শ্রেণী এবং ৭ম শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণীতে উর্ত্তীণ ১ম স্থান অধিকারিনী কে নগদ ২হাজার টাকা ২য় স্থান অধিকারিনীকে ১হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।